ঢাকা জেলার দক্ষিণ কেরানীগঞ্জ থানাধীন বসুন্ধরা রিভারভিউ বালুর মাঠ এলাকায় ছিনতাইকারীদের ছুরিকাঘাতে আহমেদ দেওয়ান (৬০) নামের এক নিরাপত্তা কর্মী নিহত হয়েছে ।
নিহত আহমেদ দেওয়ান (৬০) দক্ষিন কেরানীগঞ্জ থানার কোন্ডা ইউনিয়নের দক্ষিন পানগাঁও এলাকার মৃত মফা দেওয়ানের ছেলে।
এবিষয়ে নিহত আহমেদ দেওয়ান (৬০) এর মেয়ে রেখা জানান,তার বাবা কেরানীগঞ্জের “হক ডক ইয়ার্ড” নামের একটি ডক ইয়ার্ডের নিরাপত্তা প্রহরী হিসেবে দায়িত্ব পালন করতেন, প্রায় ২৫ বছর ধরে আমার বাবা নিরাপত্তা প্রহরী হিসেব কাজ করেছে ।
তিনি আরও জানান আজ বুধবার আনুমানিক ভোর সাড়ে ৫টার দিকে এ ঘটনাটি ঘটে। তিনি বলেন, আমার বাবা “হক ডক ইয়ার্ডে” নিরাপত্তা প্রহরী হিসেবে কাজ করতেন। বাবার দায়িত্ব শুরু হতো সকাল ৬ টা থেকে
প্রতিদিনের মতো সে আজকে ভোরেও কাজের উদ্দেশ্য রাস্তা দিয়ে যাওয়ার পথে বসুন্ধরা রিভারভিউ বালুর মাঠ এলাকায় কয়েকজন ছিনতাইকারী আমার বাবাকে দাড় করিয়ে কোনো কিছু বোঝার আগেই আমার বাবার পেটের বাম পাশের দিকে ছুরি ঢুকিয়ে দেন এবং তাঁর সঙ্গে থাকা তার ব্যবহৃত মোবাইল নিয়ে পালিয়ে যায়।
পরে আমরা লোকমুখে খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে গিয়ে গুরুতর আহত অবস্থায় বাবাকে প্রথমে স্থানীয় একটি হাসপাতালে নিয়ে যাই। সেখানেই বাবা আমাকে এ ঘটনা কীভাবে ঘটল তা জানান।
পরবর্তীতে সেখান থেকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকা মেডিকেলে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক জানান আমার বাবা আর বেঁচে নেই।
ঢামেক হাসপাতালের পুলিশ ক্যাম্পের ইনচার্জ (পরিদর্শক) মোঃ ফারুক চিকিৎসকের বরাত দিয়ে বিষয়টি নিশ্চিত করেন। তিনি জানান, মরদেহ হাসপাতালের মর্গে রাখা হয়েছে। বিষয়টি কেরানীগঞ্জ দক্ষিণ থানা পুলিশকে জানানো হয়েছে।
ঘটনার বিষয়ে জানতে চাইলে দক্ষিণ কেরানীগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা সাইফুল আলম জানান, ঘটনার বিষয়ে জানতে পেরে আমরা সাথে সাখেই ঘটনাস্থলে পৌঁছিয়ে তদন্ত শুরু করেছি । যিনি প্রথম আহমেদ দেওয়ান কে দেখতে পান তিনি আহমেদ দেওয়ানেরই আত্মীয় বলে আমরা জানতে পারি, তার সাথে কথা হলে তিনি আমাদের কে জানিয়েছেন, তিনি আহমেদ দেওয়ান কে যখন দেখতে পেয়েছেন তখন আহমেদ দেওয়ান জীবিতই ছিলো,তখন তার আত্নীয় তাকে জিজ্ঞেস করেন কি হয়েছে,কেউ কি আপনাকে মেরেছে, তখন আহমেদ জানান কেউ মারেনি, তার পেটে ব্যথা,তখন সাথে সাথে বাসায় খবর দেওয়া হলে তাকে উদ্ধার করে পাশেই একটি হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়েছিলো বলে জানান তার ঐ আত্মীয়,পরবর্তীতে ঢামেক থেকে আমাদের থানার নিহতের বিষয়টি জানানো হয় । এখন পর্যন্ত তার পরিবারের পক্ষ থেকে কেউ কোন অভিযোগ নিয়ে আসেনি, অভিযোগ পেলে আমরা আইনগত ব্যবস্থা নিবো

