কেরানীগঞ্জের শুভাঢ্যায় ১৮ পূজামণ্ডপে নিরাপত্তায় কাজ করছে ৯ গ্রাম পুলিশ

কেরানীগঞ্জ ধর্মীয় সারাদেশ

প্রতিবেদকঃ আল ইমরান রাফি

ঢাকার দক্ষিণ কেরানীগঞ্জের শুভাঢ্যা ইউনিয়নে শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষে ১৮টি পূজামণ্ডপে নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে দায়িত্ব পালন করছেন ৯ জন গ্রাম পুলিশ সদস্য। পূজামণ্ডপগুলোতে শান্তিপূর্ণ পরিবেশ বজায় রাখা, সার্বিক পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ এবং যেকোনো ধরনের বিশৃঙ্খলা নিয়ন্ত্রণে রাখতে কাজ করছেন তারা। প্রতিটি পূজামণ্ডপ নিয়মিত পরিদর্শন ও দেখভালের মাধ্যমে দায়িত্ব পালন করছেন গ্রাম পুলিশের সদস্যরা।

শারদীয় দুর্গোৎসবকে কেন্দ্র করে শুভাঢ্যা ইউনিয়নের বিভিন্ন পূজামণ্ডপে চলছে সনাতন ধর্মাবলম্বীদের ধর্মীয় আনুষ্ঠানিকতা। উৎসবকে নির্বিঘ্ন ও শান্তিপূর্ণ রাখতে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যদের পাশাপাশি স্থানীয় পর্যায়েও নেওয়া হয়েছে নিরাপত্তামূলক উদ্যোগ। পূজামণ্ডপগুলোতে পুলিশ, আনসার ও গ্রাম পুলিশের সদস্যরা দায়িত্ব পালন করছেন। পাশাপাশি স্থানীয় বিএনপির নেতৃবৃন্দও সার্বিক সহযোগিতা করছেন।

পূজামণ্ডপে আগত দর্শনার্থী ও পূজারীদের নিরাপত্তা, সার্বিক পরিবেশ পর্যবেক্ষণ এবং কোনো ধরনের অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতি সৃষ্টি হলে তা নিয়ন্ত্রণে রাখতে সতর্ক অবস্থানে রয়েছেন দায়িত্বপ্রাপ্ত গ্রাম পুলিশ সদস্যরা। ইউনিয়নের ১৮টি পূজামণ্ডপে নিয়মিত খোঁজখবর রাখা এবং পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে তাদের এ কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে।

শুভাঢ্যা ইউনিয়নের ঝিলমিল এলাকায় অবস্থিত চন্ডিতলা মন্দিরের পুজা মণ্ডপের দায়িত্বে থাকা শ্যামল বাড়ৈ জানায়,এবার সরকারি ভাবে পুজা মণ্ডপে বাড়তি নজরদারি করা হচ্ছে, পুলিশ,আনসার,গ্রাম পুলিশ সবাই যৌথভাবে দায়িত্ব পালন করছে, আমরা শান্তিপূর্ন ভাবে পুজা পালন করতে পেরে আনন্দিত।

শুভাঢ্যা ইউনিয়ন পরিষদের দফাদার আমিনুল বেপারী বলেন, এবার শুভাঢ্যা ইউনিয়নের ১৮টি পূজামণ্ডপে আমরা ৯ জন গ্রাম পুলিশ সদস্য
নিরবচ্ছিন্নভাবে দায়িত্ব পালন করছি। প্রতিটি পূজামণ্ডপ পরিদর্শন করছি এবং সার্বিক পরিস্থিতি দেখভাল করছি। পাশাপাশি যেকোনো ধরনের বিশৃঙ্খলা নিয়ন্ত্রণে রাখতে কাজ করছি, যাতে পূজামণ্ডপগুলোতে শান্তিপূর্ণ পরিবেশ বজায় থাকে।

তিনি আরও জানান, পূজামণ্ডপগুলোতে দায়িত্ব পালনের ক্ষেত্রে সার্বিক পরিস্থিতির ওপর নজর রাখা হচ্ছে। পূজারীরা যাতে নির্বিঘ্নে ধর্মীয় আচার-অনুষ্ঠান পালন করতে পারেন, সে লক্ষ্যে দায়িত্বপ্রাপ্ত সদস্যরা কাজ করছেন।

স্থানীয় পর্যায়ে নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট সবার সহযোগিতা গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা। পুলিশ, আনসার, গ্রাম পুলিশ ও স্থানীয় নেতৃবৃন্দের সমন্বিত প্রচেষ্টায় শুভাঢ্যা ইউনিয়নের পূজামণ্ডপগুলোতে শান্তিপূর্ণ পরিবেশ বজায় থাকবে বলে আশা করা হচ্ছে।