তীরে অবৈধ দোকানপাট নির্মাণ কেরানীগঞ্জের বুড়িগঙ্গা নদী নদীর তীরে চাঁদাবাজিতে দুটি চক্র সক্রিয়। একটির নিয়ন্ত্রণে আছেন স্বেচ্ছাসেবক দলের নেতা জুম্মান হোসেন। অপর চক্রের নেতৃত্বে শ্রমিক দল নেতা সোহেল ঢালী।
সবার কেরানীগঞ্জে বুড়িগয়া নদীর তীরভূমি দখল ধরে অবৈধ দোকানপাট নির্মাণের মহোৎসব চলছে। ইতিমধ্যে নির্মিত অবৈধ কিছু স্থাপনায় বসছে জুয়ার আমরাও। এই সব জুয়ার আসরে জড়িয়ে অনেক মাঝি সর্বস্বান্ত হয়ে যাচ্ছেন। প্রশাসনের তদারকির অভাবে দিন দিন বাড়ছে এসব অবৈধ স্থাপনার সংখ্যা। প্রতি মাসে এসব অবৈধ দোকান থেকে আদায় করা হয় মোটা অঙ্কের চাঁদা। গতকাল শনিবার দুপুরে সরেজমিনে দেখা যায়, দক্ষিন কেরানীগঞ্জের বুড়িগঙ্গা নদীর কালীগঞ্জ চেনঘাট থেকে আধানগর নাগরমহর হয়ে আপানার প্রিয় ঘাট পর্যন্ত প্রায় এক কিলোমিটার সমীর তীরভূমিতে ইতিমধ্যে গ্রায় তিন শতাধিক আলৈ স্থাপনা নির্মাণ করা হয়েছে।
এর ময়ে শতাধিক জ গানের দোকান, শতাধিক ছোট-বড় টা ও মাপরা, ২৭টি খাবারের হোটেল, অন্তত তিনটি জুয়ার আসরও একটি রাজনৈতিক দলের কার্যাদায় দেখা গেছে। বাঁশ, টিন, কাঠ ও ছাপরা নিয়ে এসব স্থাপনা গড়ে তোলা হয়েছে। সেই সঙ্গে নির্মানার্জীন রয়েছে আরও অনেক দোকানগার্ট। নাগরমহল ঘাট এলাকায় নদীর তীরে রয়েছে একটি হাপরা। যেন্য তিনটার দিকে ওই স্থাগরায় দেখা যায়, ১০ থেকে ১২ জন যুহক অবস্থান করছেন।
তাঁরা তাব দিয়ে জুয়া ফেলছেন। প্রতিবেদয়ের উপস্থিতি টের পেয়ে তাঁয়া যেখান থেকে সটকে পড়েন। এ ছাড়া আলমলে সালমা নদীর পাড়ে মেখে পড়ল দক্ষিন কেরানীগঞ্জ থানা নৌঝামাঝি প্রমিক দলের একটি দলীয় কার্যালয়। আমার জানামতে অবৈধ এ দোকান থেকে চাঁদা আদায়ের সঙ্গে আমাদের কোনো কর্মকর্তা-কর্মচারী জড়িত নন। কারও বিরুদ্ধে সুনির্দিষ্ট অভিযোগ পেলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে। মোস্তাফিজুর রহমান, খাটের খেয়া নৌকার এক মাঝি বলেন, ‘নাগরমহল রাইতের বেলায় জুয়ার আসরগুনা চলে। মাঝিরা ঘাটের পাশে কয়েকমা জুয়ার আসর আছে। দিন ও মারাদিন রোদে পুইড়া পরিশ্রম কইরা টারম কামাই কইরা জুয়ার আসার হাইর যায়। এসব দেখনে অনেক কষ্ট হয়।’ বামঃ বলে জানা গেছে, নদীর তীরে চাঁদাবাজিতে দুটি এলাকাবাসী ও নদীর তীরের দোকানিদের সঙ্গে চক্র সক্রিয় রয়েছে। এর মধ্যে একটি নিয়ন্ত্রণ করেন দক্ষিন কেরানীগঞ্জ থানা আগানগর ইউনিয়ন স্বেচ্ছাসেবক দলের নেতা জুম্মন হোসেন। উাঁর সহযোগী আগনগর হাইনিয়ন যুবদলের কর্মী বাবর আলী, আজাদ হোসেন, শহীদ মিয়া ও সেলিম হোসেন আগানগর কলেজ ঘাট থেকে নাগরমহল ঘাট এলাকা পর্যন্ত নদীর তীরের অবৈধ দোকানগুলো থেকে চাঁদা তোলেন।
অপর চক্রের নেতৃত্বে রয়েছেন হর ভাইগও খেয়াঘাট শ্রমিক দলের নেতা সোহেল ঢালী। তাঁর সহযোগী দ্বীন ইসলাম ও চাঁদা সায়র করেন। ইলিয়াস আলী বালীগঞ্জ ডেনমাট এলাকা থেকে বলেন, আগে এসব দোকান থেকে চাঁদা নিশু আগানগর এলকার বাসিন্দা জহিরণ্য আলেম আওয়ামী লীগের লোকজন।
৫ আগষ্ট পটপরিবর্তনের পর ওই সোয়েরা বিএনপির নাম ভাবিয়ে তাল তুলছেন। এই সব চাঁদাবাজদের দৃষ্টায়ামূলক শাস্তি দেওয়া উচিত। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক নাগরমহল ঘাট এলাকার ‘বছরখানেক ধরে এখানে দোকান করছি। এ দোকানের জন্য দৈনিক ৩৫০ টাকা দিয়ে। নিজেকে বিএসপির কর্মী দাবি করা বাবর নামের এক ব্যাক্তি প্রতিদিন সন্ধ্যার পর এনে টাকা নিয়ে যান। এ ছাড়া প্রত্যেক পরিবার বিমাইডব্লিউটিএর লোক এসে ১০০ টাকা নিয়ে যান। দোকানের বিষ্ণুৎ বিলের টাকাও আলাদা।
সব মিলিয়ে প্রতিদিন দোকানের পেছনে ৫০০ টাকা ব্যা অভিযোগের বিষয়ে আগাথায় ইউনিয়ন স্বেচ্ছাসেবক দনের নেয়া জুম্মন হোসেন ও শ্রমিক সংযোগ রপ্ত পাওয়া যায়। তবে আগানগর ইউনিয়ন দলের নেতা সোয়েল মাদীর মুঠোফোনে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা spes করেন, অবৈধ দোকান থেকে চাঁদা তোলার সঙ্গে বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মো. আসাদ খান দাবি সদলীয় নেতা-কর্মীরা সম্পৃক্ত নয়। তিনি বলেন, ‘কে বা কারা নদীর উরে অবৈধ স্থাপনা গড়ে তুলেছে এ হয়নি। নদীর তীর দখল করে নির্মিত অবৈধ স্থাপনা দলীয় কার্যাদায় নির্মাণের অনুমতি কাউকে দেওয়া বিষয়ে আমি অবগত নই। নদীর জায়গা দখল বহত অতি শিগগিরই উচ্ছেদ করার দাবি জানাচ্ছি। নেয়া ও বাংলাদেশ পি নৌপরিবহন কর্তৃপক্ষের (বিআইডব্লিউটিনী অসাধু কর্মকর্তাদের যোগসাজশে এসব দোকান নির্মাণ চলছে।
স্থানীয়দের অভিযোগ, শ্রীদপী রাজনৈতিক কর্তৃপক্ষের উচ্ছেন অভিযান এড়াতে প্রতি শনিবার বিআইডব্লিউটিএর অসাধু কর্মকর্তাদের পক্ষে একজন প্রতিনিধি এনে চলার তণের টাকা নিয়ে যান। আধায়ভেবে দোয়ামাতি ১০০ থেকে ২০০ ট পর্যন্ত টায়। শিগগিরই অভিপ্রস্তুতি নেওয়া বিআইডব্লিউটিএর মন্ডা এনসী বন্দরের যুগ্ম জানান, নদীর তীয়ে অবৈধ স্থাপনা উম্মেদে হচ্ছে। অবৈধ স্থাপনার তালিকা তৈরি করা পরিচালক মোস্তাফিজুর রহমান প্রথম আলোকে হচ্ছে। তিনি বলেন, ‘আমার জানামতে অধৈর দোকান থেকে চাঁদা আদায়ের সঙ্গে কারও বিরুদ্ধে সুনির্দিষ্ট অভিযোগ পেলে
আরোও পড়ুনঃ কেরানীগঞ্জে চাঁদাবাজি বিরোধী অভিযানে সেচ্ছাসেবক নেতাসহ গ্রেপ্তার ৩

