ঢাকার কেরনীগঞ্জের জিনজিরা ইউনিয়নের বাস রোড এলাকায় ভূমিকম্পে একটি সাত তলা ভবন পাশের আরেকটি সাত তলা ভবনের উপর হেলে পড়ার ঘটনায় হেলে পরা ভবনের মালিক মো সাত্তার হোসেনকে ভবনের ভাড়াটিয়াসহ যাবতীয় নিরাপত্তা নিশ্চিতের নির্দেশ দিয়েছে স্থানীয় প্রশাসন
বিকালে জিনজিরা ইউনিয়নের প্রশাসক মোহাম্মদ শিবলীজ্জামান সাথে কথা হলে কেরানীগঞ্জের আলোকে তিনি জানান, ভূমিকম্পের কারনে সাত্তার হোসেনের ৭ তলা বাড়িটি আংশিক হেলে পড়েছে।
এতে করে জনমালের ক্ষয়ক্ষতির আশংকা রয়েছে। এজন্য হেলে পরা ভবনের মালিককে বিল্ডিং কোড মেনে এবং যাবতীয় নিরাপত্তা নিশ্চিত করে অপসারণ করার জন্য নির্দেশ প্রদান করা হয়েছে।
এছাড়া জিনজিরা ইউনিয়ন পরিষদের সচিব মো: আব্দুল গনি বিকালে হেলে পরা ভবনটি পরিদর্শন করে কেরানীগঞ্জের আলোকে জানান, যেহুতু ভবনটি ঝুকিপূর্ন তাই আমরা দ্রুত সময়ে ভবনের ভাড়াটিয়াদের অন্যত্র্য সরে যেতে অনুরোধ করছি।
কেরানীগঞ্জ মডেলের এসিল্যান্ড স্যার আসছে জনগনের নিরাপত্তার স্বার্থে প্রয়জনে ভবনটির বিদ্যুৎ ও পানির লাইন বিচ্ছিন্ন করে ভবনটি সিল গালা করা হবে।
এর আগে শুক্রবার (২১ নভেম্বর) সকাল ১০.৩৮ মিনিটে ভূমিকম্পে জিনজিরা বাসরোড এলাকার সাত্তার কসাইয়ের সাত তলা ভবনটি পাশের মো. ভুট্টো মিয়ার সাত তলা ভবনের উপর হেলে পড়ে । এসময় দুটি বাড়ির লোকজন জীবন রক্ষার জন্য দৌড়ে নিচে নামে অবস্থান নেয়। এসময় হুড়োহুড়িতে কয়েকজন সামান্য আহত হন।
এলাকাবাসীর দাবি, পাইলিং ছাড়া অনুমোদনহীন ভবন তৈরির ফলে এ দুর্ঘটনা ঘটেছে।
স্থানীয় বাসিন্দা আব্দুর রহিম বলেন, সাত্তার মিয়ার বাড়িটি ইঞ্জিনিয়ারিং প্ল্যান ছাড়া ওস্তাগারের মাধ্যমে তিন তলা ফাউন্ডেশন দিয়ে ভবনটি নির্মাণ করেন। ভবনটি তিন তলা নির্মাণের উপযুক্ত হলেও সাত্তার কসাই ভাড়া খাওয়ার লোভে সাত তলা ভবন নির্মান করেন।
পাশের ভবন গুলো তার জন্য ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থায় রয়েছে। এই ভবন তৈরির সময়ই তাকে বলা হয়েছিল তিনতলা ফাউন্ডেশনের উপর সাত তলা ভবন তৈরি করা ঠিক হবে না।
কেরানীগঞ্জ মডেল থানার ওসি মোহাম্মদ মনিরুল হক ডাবলু জানান, সাততলা ভবন হেলে পড়ার ঘটনা শোনার সাথে সাথে মডেল থানার পুলিশের একটি টিম ঘটনা স্থলে গিয়ে ভবনের বাসিন্দাদের নিরাপদে সরে যেতে সাহায্য করে। ভবনটি যেহুতু ঝুঁকিপূর্ন আপাতত বাসিন্দাদের অনত্র সরে যাওয়ার অনুরোধ করা হয়েছে।
আরোও পড়ুনঃ কেরানীগঞ্জে দস্যুতা মামলার কিশোর গ্যাং লিডার আকাশ মোল্লা গ্রেপ্তার

