ঢাকার দক্ষিণ কেরানীগঞ্জের কদমপুর এলাকায় টাকা দিয়ে পাঁচ শতাংশ জমি কিনেও দখলে যেতে পারছেন না শামসুদ্দিন মিয়া। তার অভিযোগ, জমিটি কিনে দেওয়ার পরও বিক্রেতার সাবেক স্ত্রী সেটি দখল করে রেখেছেন।
ভুক্তভোগী শামসুদ্দিন মিয়ার দাবি, গত বছরের ডিসেম্বর মাসে কদমপুর এলাকার আনসারের কাছ থেকে পাঁচ শতাংশ জমি কিনেন তিনি। জমি কেনার পর সেখানে দখলে যেতে চাইলে বাধা দেন আনসারের সাবেক স্ত্রী। বর্তমানে ওই নারী জোরপূর্বক জমিটি দখল করে রেখেছেন বলে অভিযোগ করেন শামসুদ্দিন।
শামসুদ্দিনের অভিযোগ, জমিটি ছেড়ে দেওয়ার কথা বললে উল্টো তাকে ধর্ষণ ও চাঁদাবাজির মামলায় ফাঁসিয়ে দেওয়ার ভয় দেখানো হচ্ছে। এ ঘটনায় আনসারের সাবেক স্ত্রী ইতোমধ্যে দক্ষিণ কেরানীগঞ্জ থানায় শামসুদ্দিনের বিরুদ্ধে একটি অভিযোগও করেছেন বলে জানান তিনি।
স্থানীয়রা জানান, জমি নিয়ে বিরোধের বিষয়টি এলাকায় অনেকেরই জানা। এ নিয়ে একাধিকবার স্থানীয়ভাবে এবং থানায় সালিশ-বৈঠক হয়েছে। তবে সালিশে বিষয়টির সমাধানের উদ্যোগ নেওয়া হলেও এখনো জমিটি শামসুদ্দিনকে বুঝিয়ে দেওয়া হয়নি বলে অভিযোগ তার পরিবারের।
ভুক্তভোগী শামসুদ্দিন মিয়া বলেন, “আমি টাকা দিয়ে জমি কিনেছি। জমির কাগজপত্রও রয়েছে। এরপরও নিজের কেনা জমিতে যেতে পারছি না। বিভিন্নভাবে আমাকে ভয়ভীতি দেখানো হচ্ছে।”
এ অবস্থায় দ্রুত বিরোধের সুষ্ঠু তদন্ত করে প্রকৃত মালিকানা যাচাই এবং আইন অনুযায়ী জমিটি বুঝিয়ে দিতে প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন শামসুদ্দিন মিয়া ও তার পরিবার।

